সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে’-এমন শিরোনামে প্রচারিত তথ্যকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। এ ধরনের অপপ্রচারের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে বলে উল্লেখ করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৭ জুন) বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তুরাগ নদীতে আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার মতো কোনো ঘটনাই ঘটেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এ ধরনের তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ছড়ানো হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দেশবাসীকে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য বিশ্বাস বা প্রচার না করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে এ ধরনের গুজব ও অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মোঃ ইসরাইল হাওলাদার বলেন, 'গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই কোনো তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার আগে অবশ্যই তার সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জনগণের জানমাল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বদা সতর্ক রয়েছে। কেউ যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করে, তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে আমরা সকলকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে সত্য তথ্য প্রচারে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাই।'

পুলিশ সদর দপ্তর আরও জানায়, যারা এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতোমধ্যে তৎপর রয়েছে। অপপ্রচারে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।